একবিংশ শতাব্দীর এমন একটা সময় আমরা অতিক্রম করছি যখন কমবেশি সকল পরিবারেই কেমন যেন একটা অস্থিরতা বিরাজ করছে। অথচ একটা সময় দীর্ঘদিন পর্যন্ত যৌথ পরিবারে থেকেও এসব অস্থিরতা এখনকার নিউক্লিয়ার পরিবারের তুলনায় কমই ছিল (কিছু ব্যতিক্রম ছিল না তা নয়)। আমরা যদি বর্তমান সময়ে আমাদের পরিবারগুলোতে হারিয়ে যাওয়া Harmony ফিরিয়ে আনতে চাই তবে পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে নিজের জায়গা থেকে নিজের দায়িত্ব নিয়ে অনেক কিছুই নতুন করে ভাবতে হবে। ভাবতে হবে পরিবারের ‘ছেলে’টিকেও।

বর্তমানে পরিবারের বিবাহিত ছেলেরা যে বিষয়গুলি নিয়ে মানসিক কষ্টে আছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কমন আর অস্বস্তিদায়ক হল মা ও স্ত্রীর মাঝে টানাপোড়েন। অনেক অবিবাহিত ছেলেরাও বিষয়টা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে। বিষয়টা খুব ক্রিটিকাল, তদপেক্ষা ক্রিটিকাল হল এই অবস্থায় পরিবারের ‘ছেলেটা’র ভূমিকা কেমন হবে তা। প্রথম পর্বেই এমন ক্রিটিকাল কিছু লিখব কিনা তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম। শেষমেষ ভাবলাম লিখেই ফেলি।

বিয়ের পর ছেলেদের সাধারণত দুই রকম এপ্রোচ দেখা যায়- কেউ তার স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা বাসায় উঠে সংসার পাতেন, কেউবা আবার স্ত্রীকেই বাবা-মার বাসায় নিয়ে আসেন। দ্বিতীয় অবস্থায় ছেলের ভূমিকাটা একটু বেশি Crucial হলেও প্রথম অবস্থাও একেবারে কম নাজুক নয়। চাই স্ত্রী আলাদা বাসায়ই উঠুক আর শ্বশুর-শাশুড়ীর সাথেই উঠুক একজন ছেলেকে তখন অবতীর্ণ হতে হয় দ্বৈত ভূমিকায়।

বাস্তবতা হল বিয়ের পরেও আমাদের সমাজের অধিকাংশ মায়েরা শুধু ছেলে হিসেবেই সন্তানের কাছে প্রত্যাশা রাখে আর অধিকাংশ স্ত্রীরাই শুধু স্বামী হিসেবে নিজের মত করে তাকে পেতে চায়। আমাদের উপমহাদেশের পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক সংস্কৃতির দিকে তাকালে বোঝা যায় যে এই টানাপোড়েন খুবই বাস্তব ও স্বাভাবিক এবং তা উপেক্ষা করার কোন উপায় নেই। তাই এমন পরিস্থিতিতে ছেলেটির জন্য প্রথম করণীয় হল- ‘দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা’। জ্বী, আবারও বলছি- ‘দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা’। এই টানাপোড়েনের সমাধান করার জন্য প্রথমেই আপনাকে উভয় পক্ষের (মা ও স্ত্রী) দিকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতে তাকাতে হবে।

মনে রাখবেন- একজন ভাল লেখক যেমন ভাল রাজনীতিক নাও হতে পারেন, একজন ভাল কবি যেমন ভাল অভিনেতা নাও হতে পারেন তেমনি একজন ভাল ‘মা’ একজন ভাল ‘শ্বাশুড়ি’ নাও হতে পারেন। ‘মা’ এবং ‘শ্বাশুড়ি’ দুটো ভিন্ন Role এবং এই রোল দুটি Successfully Play করার জন্য প্রয়োজন সম্পূর্ণ আলাদা কৌশল। হতে পারে আপনার মা একজন আদর্শ ‘মা’ হওয়ার যাবতীয় কৌশল খুব দক্ষতার সাথে রপ্ত করতে পেরেছেন কিন্তু তার মানে এই নয় যে By default তিনি এর মাধ্যমে একজন আদর্শ ‘শ্বাশুড়ি’ও হয়ে গেছেন। তাই মায়ের ব্যাপারে স্ত্রীর কাছে অভিযোগ শুনলে প্রথমেই চোখ কপালে তুলে ভাববেন না যে, “আমার মমতাময়ী-স্নেহময়ী মা এমনটা করতেই পারেন না, Totally impossible.” এই সত্য যত দ্রুত উপলব্ধি করতে পারবেন সাংসারিক জীবনে তত ভাল Game Player হতে পারবেন।

একইভাবে, একজন আদর্শ ‘স্ত্রী’ একজন আদর্শ ‘বউমা’ নাও হতে পারেন। কিন্তু তাই বলে স্ত্রী হিসেবে তার গুণ ও যোগ্যতাকে অস্বীকার করলে সেটা হবে অন্যায়। তাই আপনার মায়ের কাছে স্ত্রীর ব্যাপারে অভিযোগ শুনলেই মাথায় হাত দিয়ে এই ভেবে বসে পড়বেন না যে- “এমন বউকি আমি চেয়েছিলাম?”

আপনার মা ও স্ত্রীর মাঝে কোন বিষয়ে টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে কখনও এইটা বের করতে যাবেন না যে, “কে ঠিক?” আসলে এই বিষয়টাই ‘ঠিক-বেঠিক’ এর নয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় দুজনেই নিজের নিজের Point of view থেকে চিন্তা করে থাকেন। আর যদি তাদের কারও অন্যের জুতায় হাঁটার অভ্যাস না থাকে তবে দ্রুত সমস্যার সূত্রপাত হয়। তাই মা ও স্ত্রীর টানাপোড়েনে আপনি Coach এর ভূমিকা পালন করুন, Referee-র ভূমিকা নয়। স্ত্রীর মুখে অভিযোগ শুনলেই মায়ের সাথে কুরুক্ষেত্রে বাধিয়ে দিবেন না আবার অভিযোগ অস্বীকারও করবেন না। তেমনি মায়ের মুখে অভিযোগ শুনেই স্ত্রীর উপর চড়াও হবেন না আবার অভিযোগ অস্বীকারও করবেন না। উভয়পক্ষের অভিযোগ তৎক্ষণাৎ অস্বীকার করলে আপনার কপালে ‘Blind Son’ কিংবা ‘Blind Husband’ এর তকমা লেগে যাওয়াটা মোটামুটি নিশ্চিত। উভয় পক্ষের সাথে পৃথক পৃথকভাবে বসুন, উভয়ের কথাই এমনভাবে শুনুন যেন সে Convinced হয় যে আপনি তার সাথেই আছেন এবং সমস্যা সমাধানে আপনি আন্তরিক। এটুকু অন্তত করতে পারলেও ধরে নিন আপনার সমস্যা অর্ধেক মিটে গেছে। কিন্তু অধিকাংশ ছেলেরাই এই জায়গায় ভুলটা করে। হয় কোন একজনের কথা শুনে আগামাথা না ভেবেই আরেকজনের উপর চড়াও হয় আর নয়ত এমন ভাব ধরে থাকে যে “কই কিছুইতো হয়নি”। এই উভয় এপ্রোচই আত্মঘাতী।

যে মা তার সারাটাজীবন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিলে তিলে তার সন্তানকে মানুষ করেছেন এবং যে সন্তানের উপর এতদিন তার একচ্ছত্র অধিকারবোধ ছিল সেই সন্তানের উপর রাতারাতি একজন New comer এর অধিকারবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যেকোন মায়ের জন্যই কষ্টের। আদর্শ মা তিনিই যিনি এই কষ্টটুকু মেনে নেন এবং ছেলের বউকে তার প্রাপ্য Space টুকু হাসিমুখে দিয়ে দেন। কিন্তু অনেক মা-ই এমনটা পারেন না। আজন্ম লালিত অধিকারবোধ আর Ego যখন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় তখন সেই মা নিজ হাতেই সন্তানের অশান্তির বীজ বপন করেন। তাই প্রতিটি মায়ের উচিত বিবাহিত সন্তানের উপর নিজের অধিকারবোধের সীমাটুকু চিনে নেওয়া এবং সন্তানের সুখের স্বার্থেই সেই সীমার মধ্যে বিচরণ করা। এতে সন্তান যেমন মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকবে তেমনি সংসারও রক্ষা পাবে একটা Never Ending টানাপোড়েন থেকে।

খুব খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা ভাইয়েরা প্রায়ই ভুল করেন সেটা হল স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্যের ঘটনা বাবা-মার সাথে শেয়ার করা। এর চেয়েও এক কাঠি বড় অপরাধ হল স্ত্রীর সাথে বিরোধে বাবা-মাকে বিচারকের আসনে বসানো। এই আত্মঘাতী কাজটির কিছু নেতিবাচক Outcome আছে। যেমন-

# স্ত্রীর সাথে আপনার বিরোধ একসময় ঠিকই মিটে যাবে কিন্তু আপনি যাদের কলিজার টুকরা সেই বাবা-মায়ের মনে আজীবন এই ছাপ থেকে যাবে। আপনাকে নিজের সন্তান হিসেবে Benefit of doubt দিলেও আপনার স্ত্রীর ব্যাপারে এমনটা করার সম্ভাবনা খুবই কম। এটা তাদের দোষ নয়, মানবীয় সীমাবদ্ধতা। সকল বাবা-মায়ের কাছেই নিজের সন্তান তুলনামূলক কম দোষী কিংবা অনেকের কাছে নির্দোষও। তাই, পক্ষান্তরে আপনি বাবা-মার কাছে অভিযোগ করে আপনার স্ত্রীর পিঠেই ছুরি বসালেন।

# আপনার বাবা-মা ধরে নেবে আপনি সাংসারিক জীবনে অশান্তিতে ভুগছেন অথচ হয়ত পরদিনই আপনাদের বিরোধ মিটে গেছে। যদি আপনি বাবা-মায়ের অমতে বিয়ে করে থাকেন তবে খুব সম্ভাবনা আছে এমন কথা শোনার- “আগেই বলেছিলাম বাপু এখানে বিয়েটা কোরো না, মুরুব্বিদের কথাতো ভালো লাগে না। এখন বোঝো ঠ্যালা।” আপনিই বলুন, আপনার প্রিয়তমা স্ত্রীর নামে এমন কথা শুনতে কি আপনার ভাল লাগবে ?

আরেকটা ভুল হল স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্যের ঘটনায় শ্বশুর-শাশুড়ীর কাছে অভিযোগ দেওয়া। এই কাজটা যারা করে তারা নিরেট কাপুরুষ ছাড়া আর কিছু নয়। এর প্রভাব উপরোক্ত তৃতীয় পয়েন্টের চেয়েও মারাত্মক। কারণ, আপনার স্ত্রী আপনার সংসারে আপনার অধীনস্থ এবং আপনি তার উপর কর্তৃত্বশীল। তাই আপনার দ্বারা তারা তাদের আদরের দুলালী উপর কোন যুলুমের আশঙ্কা করলে সেটা মোটেও অমূলক নয়। বিশেষত বর্তমান সমাজ বাস্তবতার দিকে তাকালেই একথার সত্যতা টের পাওয়া যায়। অপরপক্ষে, আপনি আপনার বাবা-মার আদরের দুলাল হলেও তারা এই ভয় পান না যে, আপনি স্ত্রীর হাতে নির্যাতিত হবেন কিন্তু এই ভয়টা আপনার স্ত্রীর বাবা-মা পেতেই পারেন।

মায়ের সাথে স্ত্রীর ব্যাপারে সাফাই গেয়ে ঝগড়া করবেন না। অর্থাৎ এই ধরণের কথা বলবেন না যে, “তুমি আমার স্ত্রীর সাথে এমন এমন করেছো কেন?” কিংবা “আমার স্ত্রীকে অমুক অমুক কাজ দিয়েছ কেন?” অথবা এই ধরণের কোন উচ্চবাচ্য মায়ের সাথে করবেন না বরং বিষয়টা Indirectly solve করার চেষ্টা করুন। অনেক সময় দেখা যায়, অনেক ভাই আগ বেড়ে অতি উৎসাহী হয়ে স্ত্রীর পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে মায়ের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়ে দেয়। এতে হয়ত বেচারী স্ত্রীর কোন হাতই ছিল না। এতে কী হয়? আপনি যেহেতু আপনার মায়ের আদরের দুলাল তাই আপনার উপরে বেশীদিন তিনি অভিমান রাখতে পারেন না। বরং সবটুকু রাগ আর অভিমান আপনার স্ত্রীর উপরে গিয়ে পড়ে এবং তা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিতেও অনেক সময় বিলম্ব হয় না। মাঝখান থেকে আপনি দুধে ধোয়া তুলসীপাতাই থেকে গেলেন কিন্তু আপনার স্ত্রীকে কালপ্রিট বানিয়ে দিলেন মায়ের কাছে। আপনার স্ত্রীকে আপনার মায়ের খেদমত করতে দেখলে তাকে এপ্রিশিয়েট করুন, আরও খেদমত করতে উৎসাহ দিন। সম্ভব হলে মায়ের সামনেই তাকে উৎসাহ দিন। চাইলে আগে থেকে নিজেরা ঠিক করেও রাখতে পারেন যে, আপনি তাকে মায়ের সামনে উৎসাহ দিবেন। অর্থাৎ অনেকটা নাটক করলেন আর কি। কিন্তু এই নাটক করে যদি আপনার মা আপনাদের দুজনের উপর সন্তুষ্ট হয়ে যায় তাতে মন্দ কী? সকল শ্বাশুড়িরাই চায় এই বয়সে বউমার একটু খেদমত পেতে আর এই চাওয়াটা অন্যায় কিছু নয়। তাই স্বামী-স্ত্রী মিলে আপোসে মায়ের এই চাওয়া সাধ্যমত পূরণ করার চেষ্টা করুন। তবে এক্ষেত্রে মা-দেরকেও সেই আপন সীমানার মধ্যেই প্রত্যাশার পারদ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। লাগামহীন প্রত্যাশা তার ছেলে ও বউমার জন্যই অশান্তির কারণ হবে।

কখনই মায়ের সামনে বউকে এবং বউ এর সামনে মাকে নসীহত করবেন না। এতে তাদের আত্মসম্মানে লাগবে। উভয়ের সাথে আলাদা আলাদা ভাবে বসে বুঝানোর ও সংশোধনের চেষ্টা করবেন।

যৌথ পরিবারে থাকলে খুব সম্ভাবনা আছে ঘন ঘন আপনার স্ত্রীর কাছে থেকে মায়ের ব্যাপারে অভিযোগ শোনার এবং মায়ের কাছ থেকে স্ত্রীর ব্যাপারে অভিযোগ শোনার। উপরে বলেছি যে এসব ক্ষেত্রে Instant React না করে ঘটনা অনুসন্ধান করে প্রয়োজনে উভয়পক্ষের সাথে আলাদাভাবে বসবেন। কিন্তু এটাও মাথায় রাখবেন যে, সব অভিযোগই অনুসন্ধানযোগ্য হয় না। যেহেতু আপনার মা এবং স্ত্রী দুজনই নারী আর নারীরা স্বাভাবিকভাবেই অধিক আবেগ ও অভিযোগপ্রবণ হয়ে থাকে তাই আগে ভাল করে বুঝে নিন যে ঘটনা আসলেই তদন্তযোগ্য নাকি সাময়িক রাগের বিস্ফোরণ মাত্র। দ্বিতীয়টা হলে মা/স্ত্রীকে সান্ত্বনা দিন, অভিযোগ এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দিন। অযথা মাথা ভারী করবেন না।

আপনার বাবা-মার কাছে Better Half এর ভাল গুণগুলি বেশি বেশি বর্ণনা করুন, দোষ/Shortcomings গুলি গোপন করুন। আপনার বাবা-মাকে বুঝতে দিন যে, আপনারা একে অপরকে নিয়ে ততটাই সুখী আছেন যতটা সুখী তারা আপনাদেরকে দেখতে চান। তবে এখানে ভাইদেরকে মাথায় রাখতে হবে- আপনারা আপনাদের বাবার সামনে স্ত্রীর লাগামছাড়া প্রশংসা করতে পারেন তবে মায়ের সামনে একটু বুঝেশুনে করবেন। অনেক সময় দেখা যায়, স্ত্রীর অতিরিক্ত প্রশংসা শুনলে অনেক মা (সকল মা নয় কখনই) দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভেবে বসেন, “আমার ছেলেটা মা-পাগল থেকে একেবারে বউপাগল হয়ে গিয়েছে!” আর নারীদের প্রকৃতি স্বাভাবিকভাবেই… (জানেনইতো)। তাই মায়ের সামনে যখন স্ত্রীর প্রশংসা করবেন তখন সাথে সাথে মায়েরও প্রশংসা করুন।

আপনি যদি আপনার স্ত্রীর সাথে আপনার মায়ের Bonding গড়তে চান তবে আপনার শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে আপনি নিজে ভাল Bonding তৈরী করুন। মেয়েরা যা পায় তার চেয়ে বহুগুণ বেশি ফেরত দেয়। তাই, আপনার সাথে আপনার শ্বশুর-শাশুড়ির সম্পর্ক যত ভাল হবে আপনার বাবা-মার সাথে আপনার স্ত্রীর সম্পর্ক তার সমান কিংবা তার চেয়েও ভাল হবে। তাই নিয়মিত শ্বশুর-শাশুড়ির খোঁজ নিন, কাছে থাকলে স্ত্রীকে নিয়ে দেখতে যান। দূরে থাকলে ফোনে খবর নিন, উপহার পাঠান। অসুস্থ হলে প্রয়োজনে নিজের কাছে এনে রাখুন, সাধ্যমত দেখভাল করুন। এর সবই বহু বহুগুণ বর্ধিত হয়ে আপনার কাছে ফিরে আসবে ইনশা আল্লাহ।

আমরা ছেলেরা যদি অন্তত এই কাজগুলি ঠিকমত করতে পারি তবে ছেলে ও স্বামীর দ্বৈত ভূমিকা পালন করা আমাদের জন্য অনেকটা সহজ হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।