আমরা দুনিয়ায় নি’মাহ পেলে ভাবি: আহা! আল্লাহ আমায় কত ভালোবাসেন!

আর আসহাবে রাসূল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম নি’মাহ বেশি পেলে উদ্বিগ্ন হয়ে ভাবতেন: বুঝি দুনিয়াতেই সব আমলের বদলা দিয়ে দেয়া হচ্ছে, ওপারে আর কিছুই রইলো না।

পছন্দের খাবার পেলে আমরা আনন্দে উন্মত্ত হয়ে নাকে মুখে খাওয়া শুরু করি: আহা! আল্লাহ কত খাওয়াচ্ছেন!

আর সাহাবীরা একবেলা পেটপুরে একাধিক তরকারি দিয়ে খেতে পেলে চিন্তা করতেন: অমুক অমুক বদরী সাহাবী, অমুক উহুদী সাহাবী, একবেলা ভালো খেতে পাননি এমন নিঃস্ব, দরিদ্র অবস্থায়ই চলে গেছেন। আর আমাদেরকে আল্লাহ এত খাওয়াচ্ছেন, বুঝি আমাদের ওপারের জন্য আর কিছু রইলো না।

উনারা কাঁদতেন, ঝরঝর করে কাঁদতেন, নি’আমাতের কথা ভেবে কাঁদতেন, আল্লাহর রাসূলের মুখে কিয়ামাত কিংবা আযাবের কথা শুনে কাঁদতেন, কান্নার রোল পড়ে যেত আসরে, নামাজের ইমামতি করতে গিয়েও কাঁদতেন…. আর আমরা কাঁদতে পারিনা, কঠিন থেকে কঠিনতর কথায়ও আমাদের চোখ অশ্রুসিক্ত হয়না…. আফসোস!

জানিনা, কি করে অগ্রবর্তীদের সাথে জান্নাতে মিলিত হওয়ার স্বপ্ন আমরা দিবাস্বপ্নের মতই দেখে চলি! আয় আল্লাহ! আমাদের অন্তরকে নরম করে দিন, আপনার আযাবের ভয়ে ভীত করে দিন, আপনার ভালোবাসায় সিক্ত করে দিন, আমাদের জন্য আপনার নি’মাতের হিসাব সহজ করুন, আমাদেরকে অগ্রবর্তীদের সাথে মিলিত করুন….