“এক ব্যক্তি হযরত উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বলল, অমুক লোকটা বড় খাঁটি লোক। তিনি বললেন, তা তুমি কিরূপে জানলে?

 ওর সাথে কোন সময় সফর করেছ? বলল, না।

 তোমার ও ওর মাঝে কোনদিন তর্ক বা মতবিরোধ হয়েছিল? বলল, না।

 ওর কাছে কোনদিন কিছু আমানত রেখেছিলে? বলল, না।

বললেন, তাহলে ওর সম্পর্কে তুমি কিছুই জানো না। আমার মনে হয়, তুমি ওকে মসজিদে মাথা হেলাতে দেখেছো।”

সুতরাং বাহ্যিক লেবাস কিংবা ফেইসবুকের দ্বীনদারিতা দেখেই কাউকে খুব দ্বীনদার মনে করে ফেলা দরকার নেই। মানুষ চেনা যায় সফরে(কারণ, সফরে অনেক কষ্টক্লেশ সহ্য করতে হয়, অনেক মানুষের সাথে চলাফেরা হয়, তারমধ্যে মানুষের আসল রূপ অনেকটাই চেনা যায়); মানুষ চেনা যায় ঝগড়া বিবাদ কিংবা মতবিরোধের সময়(কারণ রাগান্বিত অবস্থায় কে কতখানি নিচে নামতে পারে, কতখানি কুধারণা তার মনে আছে, অন্যের মতের প্রতি সে কতখানি অসহিষ্ণু, কিংবা মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও সে উত্তম আচরন বজায় রাখে কিনা এরকম অনেক কিছু বোঝা যায়); মানুষ চেনা যায় আমানতদারিতায়(কারণ কিছু মানুষ আছে যারা বাইরে খুব ভালো হলেও কথা দিলে দেখা যায় কথা ভঙ্গ করে, আমানত রাখা হলে তা নিয়ে ঘুরফির করে, খেয়ানত করে)। তবে হ্যা, কারও মধ্যে একটা খারাপ দেখলেই তাকে খারাপ মনে করে বসবো এমন না, কিন্তু কাউকে ভালোত্বের/দ্বীনদারিতার সার্টিফিকেট দেয়া কিংবা নিজে পাওয়ার জন্য এগুলো জরুরী।

আমিসহ আমাদের নিজেদের মধ্যে কার কোনটা ঘাটতি আছে, মিলিয়ে নিই, সংশোধনের চেষ্টা করি, ইনশাআল্লাহ।